Saturday, February 25, 2017

ব্যাংকিং সেক্টরে শৃঙ্খলা আনয়ন – এক ব্যাতিক্রমী সৎ চেষ্টায় অধ্যাপক সৈয়দ আহসানুল আলম

Tags
বিগত এক দশকের ও বেশি সময় ধরে পাবলিক সেক্টর ব্যাংক, বীমায় অনবদ্য ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি, সাধারন বীমা কর্পোরেশন, রুপালি ব্যাংক শেষে এবার প্রধান মন্ত্রীর আস্থার প্রতীক হয়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ এ প্রথমে স্বতন্ত্র পরিচালক, পরে নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান আর এখন ভাইস চেয়ারম্যান, নির্বাহী পর্ষদ এর সদস্য, ইসলামী ব্যাংক ক্যাপিটাল এর চেয়ারম্যান, ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন এর সদস্য সহ ইসলামী ব্যাংক এর প্রতিটি শাখায় যিনি অক্লান্ত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি আর কেউ নন, বাংলাদেশের ব্যাংকিং জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র, সততার অনবদ্য দৃষ্টান্ত অধ্যাপক সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম মেধাবী শিক্ষক, চট্টগ্রামের ধন্যাঢ্য পরিবারের একমাত্র সন্তান অধ্যাপক আহসানুল আলম সমাজ পরিবরতনের শপথ নিয়ে ব্যাবসার জগত ছেড়ে শিক্ষকতায় যোগ দেন, তিন দশকের শিক্ষকতায় গড়েছেন অনেক কৃতি সন্তান যারা আজ দেশের জন্য মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
বিকল্প সমাজের সন্ধানে ছুটে চলা এই সমাজ চিন্তাবিদ, দিন বদলের স্বপ্ন ফেরি করছেন কোটি জনতার মনে। বাংলাদেশের রাজনীতি ও ব্যাংকিং জগতে এক ব্যাতিক্রম ইসলামী ব্যাংক, নানা ঘটনা ও চাঞ্চল্যর জন্ম দেয়া এই ব্যাংক বিভিন্ন সময় দেশ বিরোধী, জামায়াত ইসলামী সহ যুদ্ধাপরাধিদের নিয়ন্ত্রনে ছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর সকল আস্থা দিয়ে অধ্যাপক আহসানুল আলম কে দায়িত্ব দেন এই ব্যাংক এর শৃঙ্খলা আনয়নে। একাধারে, বিনিয়োগ ও ব্যাবসার সম্প্রসারন, মুনাফার উচ্চ সুচক, সৎ ব্যাংকিং, বিরাজনিতিকরন, সেই সাথে বিদেশি বিনিয়োগ কারী দের আস্থা অর্জন সকল শাখায় তিনি আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
সফল মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সফল অধ্যাপক আহসানুল আলম। আগামীতে অধ্যাপক আহসানুল আলম স্যার বিনিয়োগ ও ব্যাংকিং চিন্তা নিয়ে সিরিজ প্রবন্ধ নিয়ে আপনাদের কাছে আসছি ইন্সা আল্লাহ। সেই পর্যন্ত সাথে থাকুন।



Saturday, February 18, 2017

কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির প্রয়াস অব্যাহত

Tags


'বিগত আট বছরে দেশ-বিদেশে প্রায় দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। গতবছর রেকর্ড ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৭৩১ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। ৫ কোটি মানুষ নিন্মবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত শ্রেণীতে উন্নীত হয়েছে। ' - টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার পরিচালনার ৩ বছর পূর্তিতে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে দেশের অর্থনীতি এখন ঊর্ধ্বমুখী। দেশের শ্রম্বাজার বাজার দিনে দিনে প্রসারিত হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা এবং বিশ্বব্যাংক প্রতিবেদন বলছে, সামনের বছরগুলোতে এই বৃদ্ধির হার আরও আশাব্যঞ্জক হবে। বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে ভোগ্যপণ্য উৎপাদন, বিপণন প্রতিষ্ঠান, আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা-প্রশাসনিক খাতে, কৃষি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, হোটেল-রেস্টুরেন্ট, পর্যটনশিল্প, আবাসন, স্বাস্থ্য ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বেড়েছে। কাজের সুযোগ বেড়েছে টেলিযোগাযোগ খাত, পোশাকশিল্প, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানে। বাংলাদেশে আরেকটি বিকাশমান ক্ষেত্র হচ্ছে ওষুধশিল্প।
দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতে আওয়ামী লীগ সরকারের সামনে ছিল অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে ওঠার চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এখন এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প-২১ সামনে রেখে নানামুখী অর্থনৈতিক কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। রূপকল্প-২১ বাস্তবায়নে বাজেটে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর সবচেয়ে বেশি জোর দেয়া হয়।
বাংলাদেশ সরকারের ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন পর্যালোচনা প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে, ২০১০-১১ থেকে ২০১২-১৩ অর্থবছরে দেশের ভেতরে নতুন সাড়ে ৪৭ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। বিদায়ী বছরগুলোতে অর্থনীতির প্রধান সূচকে ইতিবাচক ধারা বজায় ছিল। বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসু ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ সফরে এসে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “ বাংলাদেশ তর তর করে এগিয়ে যাচ্ছে। এখন সময় এসেছে উচ্চাভিলাষী হবার। আমি খুবই আশাবাদি। আমি বাংলাদেশের বাসিন্দাদের বলতে চাই, বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। নিউ এশিয়ান টাইগার হবে বাংলাদেশ।“
২০১৬ সালে দেশের মানুষের মাথা পিছু আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৪৬৬ ডলারে এবং বিগত অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি অর্জনের হার প্রথমবারের মত ৭ শতাংশে উপরে উঠে আসে। দেশি ও বিদেশি বিনয়োগের পরিমাণ ছিল আশানুরূপ। দেশের ব্যাংক ও আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান থেকে স্বল্প সুদে ঋণ গ্রহণের সুযোগ থাকায় বেসরকারি খাতের সমৃদ্ধি ঘটেছে। এ সময়ে সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত ছিল।
কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা
গত জুনে (২০১৬) অর্থবিভাগ থেকে প্রকাশিত আগামী ৩ বছরের জন্য মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি-বিবৃতি শীর্ষক প্রতিবেদন দেখা গেছে, ২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮ এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কর্মসংস্থানের জন্য ৬ দফা কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে -
১। পরিকল্পনাগুলো হলো আত্মকর্মসংস্থান ও ব্যক্তি উদ্যোগের স্বতঃস্ফূর্ত বিকাশকে উৎসাহিত করে বেকারত্ব দূর করা।
২। ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা।
৩। বিদেশের শ্রমবাজারকে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য উপযোগী করা।
৪। প্রয়োজনে কূটনৈতিক তত্পরতা বাড়ানো।
৫। বিভিন্ন দেশে নতুন নতুন দূতাবাস খোলা এবং
৬। সরকারি খাতে নিয়োজিত প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া।
বর্তমান প্রতিষ্ঠানগুলোর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রতিবন্ধী ও নারীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। অর্থের জোগান সহজ করতে সরকার জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল গঠনের পদক্ষেপ নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতে শিল্পোদ্যোক্তাসহ সংশ্লিষ্টদের সক্রিয় সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব ছাড়া শুধু সরকারি উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ফল নিয়ে আসতে পারবে না। শিল্পে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিশ্চিত করতে দেশিবিদেশি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের জন্য পণ্যের বৈচিত্র্য এবং বাজার সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, উন্নয়ন সহযোগীরা ভবিষ্যতেও দক্ষতা উন্নয়ন, নিয়োগযোগ্যতা বৃদ্ধি ও শোভন কর্মপরিবেশ সৃষ্টিতে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
ব্যবসা-বানিজ্য ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ
কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, মূলধন ব্যয় কমানো, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ সব বিষয়ে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার। দেশে বিনিয়গের পরিবেশ আগের তুলনায় ভালো হয়েছে বলতে হবে। গত বছর বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের হার ছিল গত কয়েক বছরের মধ্যে সব থেকে বেশি। গত বছর ২ বিলিয়ন ডলার বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে। দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, নতুন সংযোগ দেওয়া দ্রুততর হয়েছে। উদ্যক্তাদের জন্য ঋণের উপর সুদ হার কমানো হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের ডুয়িং বিসনেস (২০১৬) ও বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বিষয়ে প্রতিবেদনে (২০১৭) বাংলাদেশের অবস্থান স্থিতিশীল ছিল। বাংলাদেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগের আঞ্চলিক কেন্দ্র হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়েনচাই ঝাং।
ঋণ কার্যক্রম
২০১৬ সালের (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) সময়ে মোট এক লাখ ৭ হাজারের বেশি নতুন উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। এসব উদ্যোক্তাদের মাঝে ১ লাখ ১ হাজার ১৯২ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১১ হাজার নতুন নারী উদ্যোক্তা ৭৮৫ কোটি টাকা ঋণ পেয়েছেন। স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন (এলজিআরডি) ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) দেশের ৫২ টি জেলার ৪০৩টি উপজেলায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠির মাঝে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ ও আদায় কার্যক্রমের মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ৬০ লাখ মানুষকে স্বাবলম্বী করেছে। চলতি অর্থবছরে পিডিবিএফ ১ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের পরিকল্পনা নিয়েছে। 
সামাজিক নিরাপাত্তা কর্মসূচি 
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসুচির আওতায় গ্রামীণ জনগণের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে সরকার বিগত অর্থ বছরে ১৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছিল।
২০২০ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে নেওয়া বর্তমান সরকারের প্রথম মেয়াদে ২০১১ সালে এক হাজার ১৯৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে বাড়িয়ে ৮ হাজার ১০ কোটি টাকা করে তৃতীয়বারের মতো একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের পরিধি আরো বিস্তৃত করে এখন দেশের ৬৪ জেলার ৪৯০ উপজেলার চার হাজার ৫৫০টি ইউনিয়নের ৪০ হাজার ৯৫০টি ওয়ার্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।
যুব সম্প্রদায়ের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন ৬৪ উপজেলায় ন্যাশনাল সার্ভিস প্রোগ্রাম সম্প্রসারিত হতে যাচ্ছে। দরিদ্র প্রবন ৬৪ উপজেলায় ন্যাশনাল সার্ভিস প্রোগ্রাম ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম পর্যায়ে সম্প্রসারিত হবে। এর আওতায় ২০১৭ সালের মে মাস থেকে শিক্ষিত বেকার যুবকদের ৩ মাসের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে এবং প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থী দৈনিক ১শ’ টাকা করে ভাতা পাবেন।
গ্রামীণ নারীদের কর্মমুখী প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য ২৩৭ কোটি ব্যয় ধরে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া এই প্রকল্পটি মেয়াদ ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। গ্রামীণ নারীরা এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ পাবে।
অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা
এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি ও দেশকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের পর্যায়ে উন্নীত করার প্রচেষ্টায় মোট ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে সরকারী ও বেসরকারীভাবে অনুমোদিত মোট ৩৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। এ ছাড়া অনুমোদনের অপেক্ষায় অন্তত আরও ৩১টি অর্থনৈতিক অঞ্চল। 
কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বিভাগ মিলিয়ে ৪০টির বেশি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কারিগরি দক্ষতা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ পরিচালনার সাথে যুক্ত আছে। পাবলিক খাতের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সরকার বেসরকারি এবং এনজিও পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে আর্থিক এবং অন্যান্য পৃষ্ঠপোষকতা করে যাচ্ছে। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সংস্কারের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন ও নিয়োগযোগ্যতা বৃদ্ধিতে সরকার বিভিন্ন স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ২০১০ সাল থেকে স্কিল এন্ড ট্রেনিং এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট (এসটিইপি) বাস্তবায়ন করে চলেছে। সরকারি এবং বেসরকারিসহ সবধরনের কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে প্রশিক্ষণের মান উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য এ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। এছাড়া প্রশিক্ষণের মান দেশীয় এবং অন্তর্জাতিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য, বাজারমুখী এবং সবার জন্য সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট এন্ড প্রোডাক্টিভিটি প্রকপ্ল (বি-এসইপি) হাতে নেয় যা ২০১৮ সাল পর্যন্ত চলবে। এছাড়াও এডিবি ২০১৪ সাল থেকে বেসরকারি খাতের চাহিদা মাথায় রেখে দক্ষতা উন্নয়ন লক্ষ নির্ধারণ করে প্রশিক্ষণ স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম পরিচালনা করে আসছে।
তথ্যপ্রযুক্তি খাত
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন সেবা একটি বিকাশমান খাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দেশের তরুণ প্রজন্ম বেশ আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে এসেছে। বর্তমানে ৮০০ এর উপরে নিবন্ধিত তথ্যপ্রযুক্তি ও সফটওয়ার প্রতিষ্ঠান কাজ করছে এবং ৩০ হাজারের বেশি তরুণ সংশ্লিষ্ট পেশায় নিয়োজিত রয়েছে। সরকার তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশ তরান্বিত করতে নানা ধরনের কর্মসূচি ও প্রণোদনার ব্যবস্থা রেখেছে। দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির লক্ষে সরকার এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের উপর জোর দিয়েছে। সরকারের আইসিটি বিভাগ পরিচালিত লেভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট এন্ড গভরনেন্স, লার্নিং এন্ড আরনিং ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টে থেকে দেশের তরুণদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা বিপিও খাতে ২০২১ সালের মধ্যে প্রতিবছর ২ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ । প্রতি বছর দেশে ১০ হাজার কম্পিউটার সায়েন্স স্নাতক তৈরি হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এদের মধ্যে অনেকেই গুগল, ফেইসবুক বা মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। এছাড়াও বর্তমানে নির্মাণাধীন হাইটেক পার্ক, আই টি ভিলেজ এবং সফটওয়ার টেকনোলজি পার্কের কার্যক্রম শুরু হলে লক্ষাধিক তরুণের কর্মসংস্থান হবে।
বৈদেশিক শ্রমবাজার 
সরকারে নেওয়া কার্যকর উদ্যোগের ফলে ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে মধ্য ডিসেম্বরে রেকর্ড ৭.২ লাখ কর্মী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে। অভিবাসন ব্যবস্থাপানার জন্য আওয়ামী লীগ সরকার বিভিন্ন আইনী পদক্ষেপ নিয়েছে যেগুলো দেশে এবং বহিঃবিশ্বে ব্যাপক ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। সরকার অভিবাসন ব্যবস্থা সহজ করার লক্ষে স্মার্ট কার্ড প্রবর্তন, বিদেশ থেকে সহজে অর্থ প্রেরণ, শ্রম বাজার গবেষণা সেল গঠন, দক্ষ ও আধা-দক্ষ কর্মী সৃষ্টির জন্য প্রশিক্ষণ এবং অভিবাসিদের জন্য স্বাস্থ্য সুবিধা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। সরকার নিয়োগদানকারী সংস্থাদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনা এবং অভিবাসন খরচ কমাতে সরকার ‘ওভারসীস এমপ্লয়মেন্ট এন্ড মাইগ্রেশন ল ২০১৩’ চালু করে।
প্রতিবছর একটি বড় জনগোষ্ঠী দেশের শ্রমবাজারে প্রবেশ করে, তাদের জন্য উন্নত ও সম্মানজনক কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে যাবে সরকার। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সমীক্ষা অনুযায়ী, কোনো দেশে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশ হলে নতুন করে আড়াই লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়। আগামী অর্থবছর প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার সেই হিসাবে, আগামী অর্থবছরে প্রায় ১৮ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হওয়ার কথা। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার রূপকল্প-২০২১ সামনে রেখে অগ্রসর হচ্ছে। বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ পেরিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদে পরিণত করার ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।

৫২ একুশে'র ভাষা সৈনিকদের সংক্ষিপ্ত নামের তালিকা

Tags


ঢাকা বিভাগ 
ঢাকা 
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ॥ ড. কাজী মোতাহার হোসেন ॥ গাজীউল হক ॥ অধ্যাপক আবুল কাসেম ॥ কাজী গোলাম মাহবুব ॥ অলি আহাদ ॥ রওশন আরা বাচ্চু ॥ আবুল মনসুর আহমদ ॥ তোফাজ্জেল হোসেন মানিক মিয়া ॥ মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ॥ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ॥ আবুল কালাম শামসুদ্দিন ॥ মুনীর চৌধুরী ॥ শহীদুল্লাহ কায়সার ॥ জহির রায়হান ॥ আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী ॥ ড. আলাউদ্দিন আল আজাদ ॥ আবুল কাশেম ফজলুল হক ॥ আনোয়ারা খাতুন ॥ শামসুল হক ॥ আমানুল হক॥ শেখ মুজিবুর রহমান ॥ আতাউর রহমান খান ॥ আব্দুর রশীদ খান তর্কবাগীশ ॥ আবুল হাশিম ॥ আবদুল হক ॥ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ॥ এস এম নুরুল হক ভূইয়া ॥ মোহাম্মদ তোয়াহা ॥ আবদুল মতিন ॥ অধ্যাপক হালিমা খাতুন ॥ অধ্যাপক সাফিয়া খাতুন ॥ অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ ॥ ডা. গোলাম মাওলা ॥ খালেক নেওয়াজ খান ॥ অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ॥ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান শেলী ॥ মোঃ শামসুল হক ॥ কামরুদ্দিন আহমেদ শহিদ ॥ মোহাম্মদ সুলতান ॥ এস এ বারি এ টি ॥ মুহম্মদ তকীউল্লাহ ॥ ইমাদুল্লাহ ॥ মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ ॥ আব্দুল মতিন খান চৌধুরী ॥ আব্দুর রহমান চৌধুরী ॥ সৈয়দ নজরুল ইসলাম ॥ তাজউদ্দিন আহমদ ॥ কামরুদ্দীন আহমদ ॥ মনোরঞ্জন ধর ॥ নেয়ামাল বাসির ॥ মীর্জা গোলাম হাফিজ ॥ মহিউদ্দিন আহমদ ॥ হাসান হাফিজুর রহমান ॥ অধ্যাপক অজিত কুমার গুহ ॥ আবদুস সামাদ আজাদ ॥ ডা. বদরুল আলম ॥ সাইয়িদ আতীকুল্লাহ ॥ বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর ॥ এম আর আখতার মুকুল ॥ আহমদ রফিক ॥ ড. মোজাফ্‌ফর আহমেদ চৌধুরী ॥ আলী আহম্মদ খান ॥ মোজাফ্‌ফর আহমেদ ॥ ইমদাদ হোসেন ॥ মুর্তজা বশীর ॥ আমিনুল ইসলাম ॥ খন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াস কে জি মোস্তফা ॥ কোরবান আলী ॥ সাদেক খান ॥ আলতাফ মাহমুদ ॥ আবদুল লতিফ ॥ নিজামুল হক ॥ মোমিনুল হক ॥ এস এম নুরুল আলম ॥ আনোয়ারুল হক খান ॥ মোশারফ হোসেন চৌধুরী ॥ বাহাউদ্দিন চৌধুরী ॥ আমিনুল হক ॥ ডা. সাঈদ হায়দার ॥ আমানুজ্জামান থান (বেবী) ॥ মীর ফজলুল হক ॥ মোঃ পিয়ারু সরদার ॥ আব্দুল মমিন ॥ জুলমত আলী খান ॥ কামরুজ্জামান ॥ বদরুদ্দিন ওমর ॥ ফকির শাহাবুদ্দিন ॥ মোহাম্মদ আলী ॥ আনসার আলী ॥ নঈম বিশ্বাস আলী ॥ জিল্লুর রহমান আলী ॥ ডা. ফরিদুল হুদা ॥ ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর ॥ শামসুল হক ॥ খন্দকার মোশতাক আহমেদ ॥ মোহাম্মদ মোকাম্মেল হক ॥ অধ্যাপক মুস্তফা নূরুল ইসলাম ॥ অধ্যাপক শাহেদ আলী ॥ গোলাম আজম ॥ মৌলভী ফরিদ আহমদ ॥ অধ্যাপক আব্দুল গফুর ॥ আমেনা বেগম ॥ মোসলেমা খাতুন ॥ সুফিয়া খান ॥ উষা বেপারী ॥ গুলে ফেরদৌস ॥ রওশন জাহান হোসেন ॥ কাজী খালেদা খাতুন ॥ রওশন আহমেদ দোলন ॥ 
ময়মনসিংহ 
রফিক উদ্দিন ভূইয়া হোসেন ॥ শামছুল হক ॥ মোস্তফা এম এ মতিন ॥ মহাদেব স্যানাল ॥ হাতেম আলী তালুকদার ॥ 
নারায়নগঞ্জ 
মুস্তাফা সারোয়ার ॥ মুস্তাফা মনোয়ার ॥ সিরাজুল হক । 
মানিকগঞ্জ 
প্রমথ নন্দী ॥ মোঃ রেহাজ উদ্দিন ॥ মোঃ ওয়াজউদ্দিন মাষ্টার ॥ সাহারা খাতুন ॥ খন্দকার দেলোয়ার হোসেন ॥ 
মুন্সিগঞ্জ 
ডা. এম এ কাদের ॥ মোঃ আব্দুস বাসেত ॥ 
নরসিংদী 
এস এম চান মিয়া ॥ আবুল হাশিম মিয়া ॥ রমিজউদ্দিন ভূইয়া ॥ আব্দুল করিম মিয়া ॥ 
টাঙ্গাইল 
বদিউজ্জামান খান ॥ সৈয়দ নুরুল হুদা ॥ আলী আকবর খান খোকা ॥ আলতাফ হোসেন ॥ রোকেয়া রহমান ॥ 
শেরপুর 
ডা. সাদেকুর রহমান ॥ অমূল্য রতন সিংহ ॥ রবি নিয়োগী ॥ নিজাম উদ্দিন ॥ আহছান উল্লাহ ॥ শামছুল হুদা ॥ 
জামালপুর 
সৈয়দ আব্দুস সাত্তার ॥ সৈয়দ আব্দুস সোবাহান ॥ 
নেত্রকোনা 
ওয়াজেদ আলী ॥ আছিম উদ্দিন আহমেদ ॥ ফজলুর রহমান খান ॥ এ কে এম ফজলুল কাদের ॥ আব্দুল আলী । 
কিশোরগঞ্জ 
আবু তাহের খান পাঠান ॥ হেদায়েত হোসেন ॥ আশরাফ উদ্দিন মাষ্টার ॥ মিসিরউদ্দিন আহমদ ॥ জগদীশ পন্ডিত ॥ 
ফরিদপুর 
ইমাম উদ্দিন আহমেদ ॥ মুনাওয়ার হোসেন ॥ এম এ লতিফ ॥ লিয়াকত হোসেন ॥ মহিউদ্দিন ॥ ননী গোপাল সাহা ॥ শেখ মহিউদ্দিন ॥ এস এম নুরুন্নবী ॥ 
শরীয়তপুর 
মোঃ নুরুল ইসলাম ॥ রবীন্দ্রনাথ ঘটক ॥ 
মাদারীপুর 
সরদার আবুল ফজল ॥ মোঃ মতিয়ার রহমান ॥ মিয়া আব্দুল ওহাব ॥ 
গোপালগঞ্জ 
আব্দুস সাত্তার মোল্লা ॥ এস এম ফজলুর রহমান ॥ পরেশ চন্দ্র বিশ্বাস ॥ আবুল হোসেন ভূইয়া ॥ 

চট্টগ্রাম বিভাগ 

চট্টগ্রাম 
মাহবুবুল আলম চৌধুরী ॥ আব্দুল্লাহ আল হারুন ॥ চৌধুরী হারুন অর রশিদ ॥ এম এ আজিজ ॥ জহুর আহমদ চৌধুরী ॥ রফিকউদ্দিন আহমদ সিদ্দিকী ॥ আজিজুর রহমান ॥ কৃষ্ণ গোপাল সেন ॥ কলিম শরাফী ॥ 
ফেনী 
খাজা আহমদ ॥ এম এম হুদা ॥ জুলফিকার হায়দার চৌধুরী ॥ লুৎফর রহমান (ভানু) ॥ 
কুমিল্লা 
সালাউদ্দিন 
নোয়াখালী 
রইস উদ্দিন ॥ কামাল উদ্দিন ॥ তারকবন্ধুনাথ ॥ আহসান উল্লাহ ॥ সহিদ উদ্দিন ইসকান্দার ॥ 
ব্রাহ্মনবাড়িয়া 
মোহাম্মদ মুসা ॥ লুৎফর রহমান ॥ মালেক মিয়া ॥ 

খুলনা বিভাগ 

খুলনা 
শেখ রাজ্জাক আলী ॥ 
যশোর 
হামিদা রহমান ॥ আফসার আহমেদ সিদ্দিকী ॥ আলমগীর সিদ্দিকী ॥ মশিউর রহমান ॥ মোঃ একরামুল হক ॥ ঈমান আলী মাষ্টার ॥ এম এইচ জিন্নাহ ॥ 
মাগুরা 
আবদুর রশীদ ॥ আবদুস সালাম ॥ আলী আহমেদ ॥ এ কে এম হামিদুজ্জামান ॥ মির্জা শওকত হোসেন ॥ নাসিরুল ইসলাম ॥ 
ঝিনাইদহ 
এম এনামুল হক ॥ জাহিদ হোসেন ॥ মনোয়ারা বেগম ॥ গুলজার হোসেন ॥ আমির হোসেন মালিতা ॥ 
কুষ্টিয়া 
অ্যাডভোকেট মোঃ মহসিন ॥ সৈয়দ আলতাফ হোসেন ॥ 
চূয়াডাঙ্গা 
মোঃ শাহজাহান ॥ আবুল হাসেম ॥ আজিজুল হক ॥ ডা. আসহাবুল হক ॥ আছগর আলী মোল্লা ॥ আবু সালেহ জোয়ার্দার ॥ 

সিলেট বিভাগ 

সিলেট 
নাসির আহমেদ চৌধুরী ॥ সিরাজ উদ্দিন আহমেদ ॥ দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ ॥ দেওয়ান ফরিদ গাজী ॥ হাজেরা মাহমুদ ॥ পীর হাবিবুর রহমান ॥ মাহমুদ আলী ॥ মতিন উদ্দিন আহমদ ॥তসদ্দুক আহমেদ ॥ সাদত খান ॥ সৈয়দ মোতাহীর আলী ॥ মুহম্মদ নূরুল হক ॥ বাহাউদ্দিন আহমদ ॥ মসউদ খান ॥ সাফাত আহমেদ চৌধুরী ॥ আবু সায়ীদ মাহমুদ ॥ আসদ্দর আলী ॥ মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী ॥ 
হবিগঞ্জ 
আফসার আহমেদ ॥ মোস-ফা শহীদ ॥ মোহাম্মদ মাহবুবুল বারী ॥ চৌধুরী আব্দুল হাই ॥ মোঃ ফজলুল হক ॥ সৈয়দ আফরোজ বখত ॥ 

রংপুর বিভাগ 

রংপুর 
আফতাবুর নাহার ॥ মনিকৃষ্ণ সেন ॥ মোঃ নুরুল ইসলাম ॥ শংকর বসু ॥ নাজাতুল আলম জেবিন ॥ মকসুদ হোসেন ॥ হাবিবুর রহমান চৌধুরী ॥ । 
সৈয়দপুর 
মতিউর রহমান ॥ 
দিনাজপুর 
হাজী মোহাম্মদ দানেশ ॥ 

রাজশাহী বিভাগ 

রাজশাহী 
এম আতাউর রহমান ॥ অধ্যাপক মোঃ একরামুল হক ॥ আবুল কাশেম চৌধুরী ॥ কাজী আব্দুল মান্নান ॥ ড. এস এম আব্দুল গাফফার ॥ কসিমুদ্দিন আহমেদ ॥ মহসীন প্রামানিক ॥ সাঈদ উদ্দিন আহমেদ ॥ আব্দুস সাত্তার ॥ মমতাজ উদ্দিন আহমদ ॥ বিচারপতি আনসার আলী ॥ মোহসেনা বেগম ॥ মনোয়ারা বেগম ॥ ক্যাপ্টেন শামসুল হক ॥ মাদার বখস ॥ হাফিজা বেগম টুকু ॥ ডা. আজিজুল বারী চৌধুরী ॥ এডভোকেট আবুল কালাম চৌধুরী ॥ । পাবনা 
শওকতজান চৌধুরী ॥ কমরেড প্রসাদ রায় ॥ সেলিনা বানু ॥ রণেশ মৈত্র ॥ আমজাদ হোসেন ॥ ফকরুল ইসলাম । 
সিরাজগঞ্জ 
সাইফুল ইসলাম ॥ আবুল হোসেন ॥ সাহাবুদ্দিন সরকার ॥ আবুল ফাত্তা নূরে এলাহী ॥ মেহের নিগার নূরে এলাহী ॥ মোতাহার হোসেন তালুকদার ॥ জিতেন্দ্রনাথ নিয়োগী ॥ 
বগুড়া 
মুখলেছুর রহমান ॥ জালাল উদ্দিন আকবর ॥ নুরুল হোসেন মোল্লা ॥ দুর্গাপদ মুখার্জী ॥ মোশারফ হোসেন মন্ডল ॥ গোলাম মহিউদ্দিন ॥ এইচ এম মতিয়ার রহমান ॥ 

বরিশাল বিভাগ 

বরিশাল 
কাজী বাহাউদ্দিন আহমদ ॥ সামছুল হক চৌধুরী ॥ আবুল হাসেম ॥ এ কে এম আমির উদ্দিন ॥ মিসেস হামিদউদ্দিন ॥ মোশারফ হোসেন মোচন ॥ মিহির লাল দত্ত ॥ 
পটুয়াখালী 
সৈয়দ আশরাফ হোসেন ॥ খন্দকার খালেক ॥ 

Monday, February 6, 2017

আইবিবিএলের প্রমোশন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ-নতুন পর্ষদের কাছে কঠিন পদক্ষেপ প্রত্যাশা...

Tags

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (আইবিবিএল)-এর প্রমোশন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, দেশবিরোধী রাজনৈতিক দলের ক্যাডার ও একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে গণহারে প্রমোশন দিয়ে নতুন পরিচালনা পর্ষদকে বেকায়দায় ফেলার একটা নীলনকশা প্রস্তুত করা হয়েছে।
মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান নিজে, দেশবিরোধী রাজনীতিতে সক্রিয় একজন ডিএমডি ও প্রধান কার্যালয় হতে বদলি হওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেট দ্বারা প্রমোশন তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এক্ষেত্রে, একটি বিশেষ জেলার, সাবেক এমডি’র অনুগত লোকদের ও একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সক্রিয় ক্যাডারদের  প্রমোশন দেওয়ার সুবিধার্থে আইবিবিএলের মেধাবী ও দক্ষ কর্মকর্তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে।
১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় কম নম্বর প্রাপ্ত, অপেক্ষমান তালিকায় থাকা ও অকৃতকার্য ব্যক্তিদের সংযুক্ত করে ২য় বার তালিকায় প্রস্তুত করা হয়েছে। ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকাটি বিশদ বিবরণ (এসিআর+সিনিয়রিটি+ডিপ্লোমা+ভাইভা) সহকারে প্রস্তুত করা হলেও ২য় বার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পেশকৃত তালিকাটিতে সামগ্রিক ফলাফল উল্লেখ করা হয়নি।
এছাড়াও নিম্মোক্ত অনিয়ম ও আইনবিরুদ্ধ বিষয়গুলো পরিলক্ষিত হয়েছে-
সিনিয়র অফিসার থেকে প্রিন্সিপাল অফিসার পদে প্রমোশনের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, ১ম তালিকায় ২৭১ নম্বরে থাকা ব্যক্তিটি ২য় তালিকায় ২৭৯ নম্বরে চলে গেছেন! মাঝখানে আট জন (আইডি নম্বর: ২৯৪৪, ১০৫৩, ২৯৪২, ৭৫৯৫, ৮৫০৫, ৮৫৪৭, ৪১০১ ও ৭৬০০) নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। যেহেতু এই পদে মোট ২৮৩ জনকে প্রমোশন দেওয়া হবে তাই নতুন আট জনের অন্তর্ভূক্তিতে ১ম তালিকার আট জন (১ম তালিকায় সিরিয়াল নম্বর ২৭৬-২৮৩, যাদের আইডি নম্বর যথাক্রমে: ৩৮৭৮, ৭৫৮৬, ৮৪৮৭, ৭৬৫৪, ৭৬৭৩, ৮৫১৬, ৯০৯৮ ও ২৭৯৫) প্রমোশন বঞ্চিত হবেন।
ভিপি থেকে এসভিপি পদে প্রমোশন দেওয়ার তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় সবার শেষে থাকা নাজমুস সাকিব মো. রেজানুর রহমানকে ২য় তালিকায় ১৮ নম্বরে নিয়ে আসা হয়েছে। ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় নাম না থাকা মো. আবুল কালাম আজাদ, সিডিএ এভিনিউ ব্রাঞ্চ, চট্টগ্রাম-কে ২য় তালিকায় ১৯ নম্বরে স্থান দেওয়া হয়েছে। ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় ১৪ নম্বরে থাকা আবদুল কাদের সরদারকে ২য় তালিকায় বাদ দেওয়া হয়েছে। ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় ৪র্থ অবস্থানে থাকা এজিএম কামরুল ইসলামকে ২য় তালিকায় ৭ম স্থানে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এভিপি থেকে ভিপি পদে প্রমোশন দেওয়ার তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় ৩৫ নম্বরে অবস্থান করা মো. আমির হোসেনকে ২য় তালিকায় ১০ নম্বরে নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়াও ১ম বার প্রস্তুতকৃত মেধাভিত্তিক তালিকার ফলাফলের সাথে ২য় বার প্রস্তুতকৃত তালিকার ফলাফলে ব্যাপক গরমিল রয়েছে।
অফিসার থেকে সিনিয়র অফিসার পদে প্রমোশন দেওয়ার তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় ৩৯১ নম্বরে অবস্থান করা ব্যক্তিকে (যার প্রাপ্ত নম্বর: ৮১.৭৬) ২য় তালিকায় ৩৯৭ নম্বরে নিয়ে আসা হয়েছে। এখানে নতুন করে ছয় জনকে সংযুক্ত করা হয়েছে; যার ফলে ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় থাকা ছয় জন প্রমোশন বঞ্চিত হবে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকের ও প্রমোশনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত কতিপয় ব্যক্তি প্রমোশন প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। সূত্রমতে, দেশবিরোধী রাজনৈতিক দলের ক্যাডার ও একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে গণহারে প্রমোশন দিয়ে নতুন পরিচালনা পর্ষদকে বেকায়দায় ফেলতেই এ ধরণের ফাঁদ পেতে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। দেশবিরোধী রাজনৈতিক দলের ক্যাডারদের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রমোশন দিয়ে ব্যাংকের শীর্ষ পদে আনা হচ্ছে, যাতে পরবর্তী ৫-১০ বছর ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকে।
সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে অনতিবিলম্বে প্রমোশন প্রক্রিয়া মেধার ভিত্তিতে হচ্ছে কি-না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। অন্যথায়, আইবিবিএরের হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে হতাশা ও অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। যার ফলে, দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাংক ও দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থার ক্ষতি হতে পারে।
তাই, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের যে বা যারা এই অনিয়ম চেষ্টার সাথে জড়িত, তারা যাতে ফলাফলে কোনো ঘষা-মাঝা বা পরিবর্তন না করতে পারে সেজন্যে ফলাফল সংশ্লিষ্ট সকল নথিপত্র জব্দ করে অনতিবিলম্বে ব্যাংকের কোনো বিশ্বস্ত কর্মকর্তার হেফাজতে আনা উচিৎ বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ মহল।