নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (আইবিবিএল)-এর প্রমোশন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, দেশবিরোধী রাজনৈতিক দলের ক্যাডার ও একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে গণহারে প্রমোশন দিয়ে নতুন পরিচালনা পর্ষদকে বেকায়দায় ফেলার একটা নীলনকশা প্রস্তুত করা হয়েছে।
মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান নিজে, দেশবিরোধী রাজনীতিতে সক্রিয় একজন ডিএমডি ও প্রধান কার্যালয় হতে বদলি হওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেট দ্বারা প্রমোশন তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এক্ষেত্রে, একটি বিশেষ জেলার, সাবেক এমডি’র অনুগত লোকদের ও একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সক্রিয় ক্যাডারদের প্রমোশন দেওয়ার সুবিধার্থে আইবিবিএলের মেধাবী ও দক্ষ কর্মকর্তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে।
১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় কম নম্বর প্রাপ্ত, অপেক্ষমান তালিকায় থাকা ও অকৃতকার্য ব্যক্তিদের সংযুক্ত করে ২য় বার তালিকায় প্রস্তুত করা হয়েছে। ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকাটি বিশদ বিবরণ (এসিআর+সিনিয়রিটি+ডিপ্লোমা+ভাইভা) সহকারে প্রস্তুত করা হলেও ২য় বার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পেশকৃত তালিকাটিতে সামগ্রিক ফলাফল উল্লেখ করা হয়নি।
এছাড়াও নিম্মোক্ত অনিয়ম ও আইনবিরুদ্ধ বিষয়গুলো পরিলক্ষিত হয়েছে-
সিনিয়র অফিসার থেকে প্রিন্সিপাল অফিসার পদে প্রমোশনের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, ১ম তালিকায় ২৭১ নম্বরে থাকা ব্যক্তিটি ২য় তালিকায় ২৭৯ নম্বরে চলে গেছেন! মাঝখানে আট জন (আইডি নম্বর: ২৯৪৪, ১০৫৩, ২৯৪২, ৭৫৯৫, ৮৫০৫, ৮৫৪৭, ৪১০১ ও ৭৬০০) নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। যেহেতু এই পদে মোট ২৮৩ জনকে প্রমোশন দেওয়া হবে তাই নতুন আট জনের অন্তর্ভূক্তিতে ১ম তালিকার আট জন (১ম তালিকায় সিরিয়াল নম্বর ২৭৬-২৮৩, যাদের আইডি নম্বর যথাক্রমে: ৩৮৭৮, ৭৫৮৬, ৮৪৮৭, ৭৬৫৪, ৭৬৭৩, ৮৫১৬, ৯০৯৮ ও ২৭৯৫) প্রমোশন বঞ্চিত হবেন।
ভিপি থেকে এসভিপি পদে প্রমোশন দেওয়ার তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় সবার শেষে থাকা নাজমুস সাকিব মো. রেজানুর রহমানকে ২য় তালিকায় ১৮ নম্বরে নিয়ে আসা হয়েছে। ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় নাম না থাকা মো. আবুল কালাম আজাদ, সিডিএ এভিনিউ ব্রাঞ্চ, চট্টগ্রাম-কে ২য় তালিকায় ১৯ নম্বরে স্থান দেওয়া হয়েছে। ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় ১৪ নম্বরে থাকা আবদুল কাদের সরদারকে ২য় তালিকায় বাদ দেওয়া হয়েছে। ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় ৪র্থ অবস্থানে থাকা এজিএম কামরুল ইসলামকে ২য় তালিকায় ৭ম স্থানে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এভিপি থেকে ভিপি পদে প্রমোশন দেওয়ার তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় ৩৫ নম্বরে অবস্থান করা মো. আমির হোসেনকে ২য় তালিকায় ১০ নম্বরে নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়াও ১ম বার প্রস্তুতকৃত মেধাভিত্তিক তালিকার ফলাফলের সাথে ২য় বার প্রস্তুতকৃত তালিকার ফলাফলে ব্যাপক গরমিল রয়েছে।
অফিসার থেকে সিনিয়র অফিসার পদে প্রমোশন দেওয়ার তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় ৩৯১ নম্বরে অবস্থান করা ব্যক্তিকে (যার প্রাপ্ত নম্বর: ৮১.৭৬) ২য় তালিকায় ৩৯৭ নম্বরে নিয়ে আসা হয়েছে। এখানে নতুন করে ছয় জনকে সংযুক্ত করা হয়েছে; যার ফলে ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় থাকা ছয় জন প্রমোশন বঞ্চিত হবে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকের ও প্রমোশনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত কতিপয় ব্যক্তি প্রমোশন প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। সূত্রমতে, দেশবিরোধী রাজনৈতিক দলের ক্যাডার ও একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে গণহারে প্রমোশন দিয়ে নতুন পরিচালনা পর্ষদকে বেকায়দায় ফেলতেই এ ধরণের ফাঁদ পেতে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। দেশবিরোধী রাজনৈতিক দলের ক্যাডারদের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রমোশন দিয়ে ব্যাংকের শীর্ষ পদে আনা হচ্ছে, যাতে পরবর্তী ৫-১০ বছর ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকে।
সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে অনতিবিলম্বে প্রমোশন প্রক্রিয়া মেধার ভিত্তিতে হচ্ছে কি-না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। অন্যথায়, আইবিবিএরের হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে হতাশা ও অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। যার ফলে, দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাংক ও দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থার ক্ষতি হতে পারে।
তাই, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের যে বা যারা এই অনিয়ম চেষ্টার সাথে জড়িত, তারা যাতে ফলাফলে কোনো ঘষা-মাঝা বা পরিবর্তন না করতে পারে সেজন্যে ফলাফল সংশ্লিষ্ট সকল নথিপত্র জব্দ করে অনতিবিলম্বে ব্যাংকের কোনো বিশ্বস্ত কর্মকর্তার হেফাজতে আনা উচিৎ বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ মহল।
১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় কম নম্বর প্রাপ্ত, অপেক্ষমান তালিকায় থাকা ও অকৃতকার্য ব্যক্তিদের সংযুক্ত করে ২য় বার তালিকায় প্রস্তুত করা হয়েছে। ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকাটি বিশদ বিবরণ (এসিআর+সিনিয়রিটি+ডিপ্লোমা+ভাইভা) সহকারে প্রস্তুত করা হলেও ২য় বার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পেশকৃত তালিকাটিতে সামগ্রিক ফলাফল উল্লেখ করা হয়নি।
এছাড়াও নিম্মোক্ত অনিয়ম ও আইনবিরুদ্ধ বিষয়গুলো পরিলক্ষিত হয়েছে-
সিনিয়র অফিসার থেকে প্রিন্সিপাল অফিসার পদে প্রমোশনের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, ১ম তালিকায় ২৭১ নম্বরে থাকা ব্যক্তিটি ২য় তালিকায় ২৭৯ নম্বরে চলে গেছেন! মাঝখানে আট জন (আইডি নম্বর: ২৯৪৪, ১০৫৩, ২৯৪২, ৭৫৯৫, ৮৫০৫, ৮৫৪৭, ৪১০১ ও ৭৬০০) নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। যেহেতু এই পদে মোট ২৮৩ জনকে প্রমোশন দেওয়া হবে তাই নতুন আট জনের অন্তর্ভূক্তিতে ১ম তালিকার আট জন (১ম তালিকায় সিরিয়াল নম্বর ২৭৬-২৮৩, যাদের আইডি নম্বর যথাক্রমে: ৩৮৭৮, ৭৫৮৬, ৮৪৮৭, ৭৬৫৪, ৭৬৭৩, ৮৫১৬, ৯০৯৮ ও ২৭৯৫) প্রমোশন বঞ্চিত হবেন।
ভিপি থেকে এসভিপি পদে প্রমোশন দেওয়ার তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় সবার শেষে থাকা নাজমুস সাকিব মো. রেজানুর রহমানকে ২য় তালিকায় ১৮ নম্বরে নিয়ে আসা হয়েছে। ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় নাম না থাকা মো. আবুল কালাম আজাদ, সিডিএ এভিনিউ ব্রাঞ্চ, চট্টগ্রাম-কে ২য় তালিকায় ১৯ নম্বরে স্থান দেওয়া হয়েছে। ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় ১৪ নম্বরে থাকা আবদুল কাদের সরদারকে ২য় তালিকায় বাদ দেওয়া হয়েছে। ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় ৪র্থ অবস্থানে থাকা এজিএম কামরুল ইসলামকে ২য় তালিকায় ৭ম স্থানে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এভিপি থেকে ভিপি পদে প্রমোশন দেওয়ার তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় ৩৫ নম্বরে অবস্থান করা মো. আমির হোসেনকে ২য় তালিকায় ১০ নম্বরে নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়াও ১ম বার প্রস্তুতকৃত মেধাভিত্তিক তালিকার ফলাফলের সাথে ২য় বার প্রস্তুতকৃত তালিকার ফলাফলে ব্যাপক গরমিল রয়েছে।
অফিসার থেকে সিনিয়র অফিসার পদে প্রমোশন দেওয়ার তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় ৩৯১ নম্বরে অবস্থান করা ব্যক্তিকে (যার প্রাপ্ত নম্বর: ৮১.৭৬) ২য় তালিকায় ৩৯৭ নম্বরে নিয়ে আসা হয়েছে। এখানে নতুন করে ছয় জনকে সংযুক্ত করা হয়েছে; যার ফলে ১ম বার প্রস্তুতকৃত তালিকায় থাকা ছয় জন প্রমোশন বঞ্চিত হবে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকের ও প্রমোশনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত কতিপয় ব্যক্তি প্রমোশন প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। সূত্রমতে, দেশবিরোধী রাজনৈতিক দলের ক্যাডার ও একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে গণহারে প্রমোশন দিয়ে নতুন পরিচালনা পর্ষদকে বেকায়দায় ফেলতেই এ ধরণের ফাঁদ পেতে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। দেশবিরোধী রাজনৈতিক দলের ক্যাডারদের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রমোশন দিয়ে ব্যাংকের শীর্ষ পদে আনা হচ্ছে, যাতে পরবর্তী ৫-১০ বছর ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকে।
সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে অনতিবিলম্বে প্রমোশন প্রক্রিয়া মেধার ভিত্তিতে হচ্ছে কি-না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। অন্যথায়, আইবিবিএরের হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে হতাশা ও অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। যার ফলে, দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাংক ও দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থার ক্ষতি হতে পারে।
তাই, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের যে বা যারা এই অনিয়ম চেষ্টার সাথে জড়িত, তারা যাতে ফলাফলে কোনো ঘষা-মাঝা বা পরিবর্তন না করতে পারে সেজন্যে ফলাফল সংশ্লিষ্ট সকল নথিপত্র জব্দ করে অনতিবিলম্বে ব্যাংকের কোনো বিশ্বস্ত কর্মকর্তার হেফাজতে আনা উচিৎ বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

EmoticonEmoticon